Saturday, January 24, 2015

সন্দেহজনক ফাইল ভাইরাস কিনা চেক করে নিন

সন্দেহজনক ফাইল ভাইরাস কিনা চেক করে নিন

pc_virus.jpg
এন্টিভাইরাস থাকার পর ও অনেক পিসি ভাইরাস আক্রান্ত হয়। কারন আপনার এন্টিভাইরাসটি সব ভাইরাস ডিটেক্ট করবে এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই আপনার পিসিতে সন্দেহজনক কোন ফাইল চোখে পড়লে তা সাথে সাথে Virustotal সাইটে গিয়ে চেক করে নিতে পারেন। এই সাইটে প্রায় ৩২টা এন্টিভাইরাস দিয়ে আপনার দেওয়া ফাইলটি চেক করে একটা লিস্ট দেখাবে কোন কোন এন্টিভাইরাস আপনার দেওয়া ফাইলটিকে কিভাবে দেখছে। লিস্ট দেখে আপনি বুঝতে পারবেন ফাইলটি ভাইরাস কিনা এবং ভাইরাস হলে কোন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন।
Virustotal

দরকারি সফটওয়্যার বিনা মূল্যে

কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা তাঁদের প্রয়োজনে অ্যাডোবি রিডার, অফিস, ফায়ারফক্স, ক্রোমের মতো সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করে রাখেন। কিন্তু বেশ কিছু অপরিচিত সফটওয়্যার আছে, যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাজে লাগতে পারে। প্রয়োজনীয় এই সফটওয়্যারগুলো আবার বিনা মূল্যেই পাওয়া যায়। ব্যবহারকারীদের কাজে লাগবে এমন কয়েকটি সফটওয়্যার নিয়ে এই প্রতিবেদন।
ডেক্সপট
ডেক্সপট হচ্ছে বিনা মূল্যের ভারচুয়াল ডেস্কটপ সফটওয়্যার। আপনার পিসিতে একাধিক ডেস্কটপ তৈরি করার প্রয়োজন পড়লে এই সফটওয়্যার কাজে লাগাতে পারবেন। এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে একাধিক ভারচুয়াল ডেস্কটপ তৈরি করে নেওয়া যায় এবং স্ক্রিনের কাজের পরিসর বাড়ানো যায়। প্রতিটি ভারচুয়াল ডেস্কটপ আলাদাভাবে কাজ করতে পারে এবং প্রতিটির আলাদা ওয়ালপেপার, রেজুলেশন ও আইকন সেট করা যায়। এক ডেস্কটপ থেকে আরেক ডেস্কটপে যাওয়ার সহজ সুবিধাও আছে। এতে কাস্টমাইজ করার সুবিধাও আছে। মাউস ও কিবোর্ড শর্টকার্ট দিয়ে প্রতিটি ডেস্কটপে যাওয়ার সুবিধাও রয়েছে।
ডাউনলোড করার লিংক http://download.cnet.com/Dexpot/3000-2346_4-10580780.html
রেইনমিটাররেইনমিটার
উইন্ডোজে অপারেটিং সিস্টেমে ডেস্কটপ কাস্টমাইজেশন করার সুবিধা সীমিত। যাঁরা ডেস্কটপ কাস্টমাইজ করার সুবিধা চান, তাঁদের জন্য রেইনমিটার প্রয়োজনীয় একটি সফটওয়্যার হতে পারে। পুরো ডেস্কটপকে এ সফটওয়্যারটি ‘স্কিন’ হিসেবে রূপান্তর করে যাতে ব্যবহারকারী তাঁর সুবিধামতো উইজেট, নোট, অ্যাপ্লিকেশন যুক্ত করতে পারে। ডেস্কটপকে নিজের মতো করে সাজাতে রেইনমিটার কাজে লাগানো যেতে পারে। রেইনমিটার কমিউনিটি থেকে অসংখ্য স্কিন ডাউনলোড করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে রেইনমিটারের ওয়েবসাইট ( http://rainmeter.net/ ) থেকে।
কিপাস
যাঁরা পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পারেন না, তাঁদের জন্য প্রয়োজন এই সফটওয়্যারটি। নিরাপদে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার হচ্ছে কিপাস। আপনার গুরুত্বপূর্ণ সব পাসওয়ার্ড এই সফটওয়্যারটিতে সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং একটি মাস্টারপাসওয়ার্ড দিয়ে তা সুরক্ষিত রাখা যাবে। একবার লক করে দিলে এই পাসওয়ার্ড ডাটাবেজ নিরাপদ এলগরিদমের মাধ্যমে এনক্রিপটেড হয়ে যায় বলে সহজে ক্র্যাক করা সম্ভব নয়। এ সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করে ইন্টারনেটের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। কিপাস সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে এর ওয়েবসাইট ( http://keepass.com  ) থেকে।
রেকুভা
রেকুভা

মনের ভুলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল মুছে ফেললে আফসোসের শেষ থাকে না। ক্যামেরার মেমোরি কার্ড, ইউএসবি ড্রাইভ, কম্পিউটার রিসাইকেল বিন কিংবা এমপিথ্রি প্লেয়ার থেকে মুছে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধারে রেকুভা সফটওয়্যারটিকে কাজে লাগানো যেতে পারে। এ সফটওয়্যারটি যদিও সব ফাইল ফেরত আনতে পারে না, তার পরও প্রয়োজনীয় অনেক ফাইল পুনরুদ্ধারে এ সফটওয়্যারটি কাজে দিতে পারে। রেকুভা ডাউনলোড করা যাবে এর নির্মাতা পিরিফর্মের ( www.piriform.com/recuva  ) ওয়েবসাইট থেকে।
রিভো আনইস্টলার
আপনার কম্পিউটারে কোনো ফাইল আনইনস্টল করার পরও কিছু ফাইল থেকে যেতে পারে। এর কারণে কম্পিউটারের গতিও কম হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে রিভো আনইনস্টলার সফটওয়্যারটি কাজে দেবে। এই সফটওয়্যার ইনস্টল করা হলে আনইনস্টল করা ফাইল স্ক্যান করে রিভো এবং কোনো ফাইল যদি আনস্টল করার পরও থেকে যায়, তা দূর করে এবং অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তা দেখাতে পারে। এ সফটওয়্যারটি এক মাস বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবে। ডাউনলোড করার লিংক ( www.revouninstaller.com  )
৭-জিপ
যাঁরা জিপ ফাইল নিয়মিত ব্যবহার করেন, তাঁদের উইনজিপের চেয়ে আরও শক্তিশালী সফটওয়্যার দরকার হতে পারে। ফাইল আর্কাইভের সফটওয়্যার হিসেবে ৭-জিপ কাজে লাগাতে পারবেন। বিনা মূল্যের ওপেনসোর্স ৭-জিপ সফটওয়্যারটি সব ফরম্যাটের জিপ ফাইল তৈরি ও খোলার জন্য কাজে লাগানো যায়। ডাউনলোড করার জন্য যেতে পারেন ( www.7-zip.org  ) ৭-জিপ ওয়েবসাইটটিতে।

Thursday, January 22, 2015

কম্পিউটার কি বোর্ড এর F1 থেকে F12 এর কাজ

কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটন গুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এবং গুরুত্তপূর্ণ ব্যবহার। বিশেষ করে মাউস এর বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায় । চলুন দেখে নিই কি গুলোর প্রয়োগঃ ▬

F1 ▬:সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহিত হয়। যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে।

F2 ▬:সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ডকুমেন্ট খোলা যায় । Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা হয়।
F3▬: কি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়।Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4▬ :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 :চেপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়। এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6▬ :চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8▬ :কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
F9▬ :কি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
F10▬ :কি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11▬ :চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়।
F12▬ :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা হয়